পাসপোর্ট থেকে ভিসা, টিকেট থেকে ট্যুর প্যাকেজ — সব এক জায়গায়।
দেশে বিদেশে ভ্রমণের সব ব্যবস্থা আমাদের কাছে।
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ট্যুর প্যাকেজ।
বুক করুন →পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের সাশ্রয়ী ট্যুর প্যাকেজ।
বুক করুন →আন্তর্জাতিক সকল বিমানের ডেট পরিবর্তন, রি-ইস্যু ও রিফান্ড সহায়তা।
সহায়তা নিন →ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দুবাই সহ বিশ্বের যেকোনো দেশ ট্যুর প্যাকেজ।
বুক করুন →দেশ ও বিদেশের সেরা পর্যটন স্থান নিয়ে আমাদের ভ্রমণ ব্লগ — যাওয়ার আগে জেনে নিন প্রতিটি জায়গার আসল সৌন্দর্য।
নদীর বাঁকে বাঁকে ম্যানগ্রোভের সবুজ দেয়াল, আর গহীন বনে কান পাতলেই যেন রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের শব্দ। ভোরের কুয়াশায় ঢাকা সুন্দরবন সত্যিই এক রূপকথার জগৎ।
নারকেল গাছের সারি, স্বচ্ছ সবুজাভ জল আর ছেঁড়া দ্বীপের রহস্যময় প্রবাল — বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে সূর্যাস্ত দেখলে মনে হয় সময় থমকে গেছে।
দিগন্তবিস্তৃত বালুকাবেলা আর গর্জনরত ঢেউ — কক্সবাজারে বিকেলের সূর্যাস্ত এতটাই মোহনীয় যে প্রতিবার দেখেও মন ভরে না। ঝাউবনের হাওয়ায় ভেসে আসে লবণাক্ত সমুদ্রের গন্ধ।
একে বলা হয় "বাংলার দার্জিলিং" — ভোরবেলা মেঘের সমুদ্রে ডুবে থাকা পাহাড়ের চূড়া, আর কংলাক পাহাড় থেকে তাকালে মনে হয় আকাশটাই যেন হাতের নাগালে।
পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে চোখের নিচে ভাসমান মেঘের স্তর দেখাটাই নীলগিরির আসল রূপ। সবুজ পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য মারমা ও বম পাড়ার গল্প।
বিশাল হ্রদের বুকে ছোট ছোট দ্বীপ, ঝুলন্ত সেতু আর পাহাড়ি চা-বাগানের প্রতিফলন জলে পড়ে তৈরি করে এক স্বপ্নিল দৃশ্য। নৌকায় ভেসে ভেসে সূর্যাস্ত দেখাটাই এখানকার সেরা অভিজ্ঞতা।
সারি সারি চা গাছের ঢেউ খেলানো টিলা, সকালের কুয়াশায় মোড়ানো বাগান আর দূরে মেঘালয়ের পাহাড় — সিলেটের চা বাগান যেন প্রকৃতির আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস।
খাসিয়া পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ পাহাড়ি জল, নুড়ি পাথরে ছাওয়া নদীর তলদেশ আর মেঘালয়ের সবুজ পাহাড়ের ব্যাকড্রপ — জাফলং প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক পরম আশ্রয়।
নৌকায় চড়ে ডুবন্ত গাছের সারির ভেতর দিয়ে যাত্রা, স্বচ্ছ পানির নিচে গাছের শেকড়ের নকশা — রাতারগুলকে বলা হয় "বাংলার আমাজন", যা সত্যিই এক ভিন্ন জগতের অনুভূতি দেয়।
বর্ষায় বিশাল জলরাশি আর শীতে সবুজ ফসলের মাঠ — ঋতু বদলের সাথে সাথে রূপ পাল্টায় তানগুয়ার হাওর। হাউসবোটে রাত কাটিয়ে জোনাকির আলোয় হাওর দেখাটাই এখানকার সেরা মুহূর্ত।
সাগর কন্যা কুয়াকাটার বিশাল সৈকতে দাঁড়িয়ে একই বিন্দু থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করার সুযোগ পৃথিবীর খুব কম জায়গাতেই মেলে — এটাই কুয়াকাটাকে করেছে অনন্য।
বগুড়ার এই প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষে হাত রাখলে যেন ছুঁয়ে ফেলা যায় দুই হাজার বছরের ইতিহাস। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আর জাদুঘর ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই বৌদ্ধ বিহারের বিশাল প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখলে অনুভব করা যায় প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশৈলীর অসাধারণ সৌন্দর্য ও গৌরবময় ইতিহাস।
পুরনো জমিদার বাড়ির সারি, শ্যাওলা ধরা দেয়াল আর নিস্তব্ধ গলিপথ — পানাম নগরে হাঁটলে মনে হয় সময় যেন এখানেই থমকে গেছে কয়েকশো বছর আগে।
বুড়িগঙ্গার তীরে গোলাপি রঙের আহসান মঞ্জিল আর মুঘল আমলের লালবাগ কেল্লা — পুরান ঢাকার সরু গলি ঘুরে এই দুই স্থাপনায় পাবেন নবাবি আমলের রাজকীয় ছোঁয়া।
আদিনাথ মন্দিরের চূড়া থেকে দেখা যায় পুরো দ্বীপের সবুজ পাহাড় আর নীল সমুদ্রের মিতালী। সোনাদিয়ার জনমানবহীন সৈকতে হাঁটলে মনে হবে যেন একান্ত নিজের এক দুনিয়ায় আছেন।
অসংখ্য নদী-খাল বেষ্টিত বরিশালের ভাসমান পেয়ারা বাজার আর নৌকায় নৌকায় বেচাকেনার দৃশ্য দেখতেই বরিশালকে বলা হয় "প্রাচ্যের ভেনিস" — এক জলজ জীবনের অনন্য চিত্র।
আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা বেয়ে উঠতে উঠতে চোখে পড়ে গভীর খাদ আর মেঘে ঢাকা চূড়া। চিম্বুকের চূড়া থেকে সূর্যোদয় দেখাটা যেকোনো পাহাড়প্রেমীর বাকেট লিস্টে থাকা উচিত।
হাতে মশাল নিয়ে অন্ধকার গুহার ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চ, আর গুহা থেকে বের হয়ে সবুজ উপত্যকার প্যানারমিক দৃশ্য — খাগড়াছড়ি ভ্রমণের সবচেয়ে স্মরণীয় অংশ এটি।
খেলনার মতো টয় ট্রেন যখন ধোঁয়া উড়িয়ে পাহাড়ি বাঁক বেয়ে ওঠে, তখন চা বাগানের সবুজ আর দূরের কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফ ঢাকা চূড়া মিলে তৈরি হয় এক স্বপ্নিল দৃশ্যপট।
ডাল লেকের শিকারা নৌকায় ভাসতে ভাসতে বরফ ঢাকা পাহাড়ের প্রতিফলন, আর গুলমার্গের সবুজ উপত্যকা দেখেই বোঝা যায় কেন কাশ্মীরকে বলা হয় পৃথিবীর স্বর্গ।
ফেওয়া লেকের স্বচ্ছ জলে অন্নপূর্ণা পর্বতমালার প্রতিফলন, আর কাঠমান্ডুর প্রাচীন মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি — নেপাল একসাথে দেয় পাহাড়ের রোমাঞ্চ ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তি।
পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রি, আর দেশজুড়ে বৌদ্ধ পতাকার সারি — ভুটান ভ্রমণ মানেই কোলাহলমুক্ত প্রকৃতির কোলে এক প্রশান্তির অভিজ্ঞতা।
স্বচ্ছ ফিরোজা রঙের জলের ওপর ভাসমান ওয়াটার ভিলা, আর জলের নিচে রঙিন প্রবাল ও মাছের রাজ্য — মালদ্বীপ পৃথিবীর সবচেয়ে রোমান্টিক ভ্রমণ গন্তব্যগুলোর একটি।
স্বর্ণমন্দিরের ঝলমলে সৌন্দর্য, ফি ফি দ্বীপের স্ফটিক স্বচ্ছ জল আর ব্যাংককের রাতের বাজারের কোলাহল — থাইল্যান্ড এক ভ্রমণেই দেয় ইতিহাস, প্রকৃতি ও শহুরে জীবনের স্বাদ।
মাত্র ৪টি ধাপে আপনার যেকোনো সেবা নিন।
ফোন, WhatsApp বা সরাসরি অফিসে এসে আপনার প্রয়োজনীয় সেবা সম্পর্কে জানান।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য প্রদান করুন। আমরা আপনাকে গাইড করব।
আপনার কাজ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা হবে। আপডেট জানানো হবে।
সম্পন্ন কাজের ডকুমেন্ট সংগ্রহ করুন এবং নিশ্চিন্তে গ্রহণ করুন।
সাশ্রয়ী মূল্যে সেরা ওমরাহ প্যাকেজ। ভিসা, বিমান, মক্কা-মদিনা হোটেল সহ সম্পূর্ণ প্যাকেজ। অভিজ্ঞ গাইড ও ২৪/৭ সহায়তা।
ইকোনমি
ইকোনমি
বিজনেসবাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত হজ্জ এজেন্সি। সম্পূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন থেকে হজ্জ সম্পাদন পর্যন্ত সব সহায়তা।
বিজনেসহাজার হাজার সন্তুষ্ট গ্রাহক আমাদের সেরা পরিচয়।
বছরের পর বছর ধরে আমরা হাজার হাজার পরিবারের ভ্রমণ স্বপ্ন পূরণ করে আসছি — বিশ্বস্ততা, দ্রুততা ও আন্তরিক সেবা দিয়ে।
সরকার অনুমোদিত এজেন্সি। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও তথ্যের নিরাপত্তা।
সর্বনিম্ন সময়ে পাসপোর্ট, ভিসা ও টিকেটের কাজ সম্পন্ন।
বাজারের সেরা মূল্য। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
ভিসা, বিমান, হোটেল সহ সম্পূর্ণ প্যাকেজ ব্যবস্থাপনা।
WhatsApp, ফোন বা অফিসে যেকোনো সময় যোগাযোগ করুন।
বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দক্ষ দল আপনার পাশে।
নিচের ফর্মটি পূরণ করুন — আমরা দ্রুত আপনার সাথে যোগাযোগ করব। অথবা সরাসরি WhatsApp-এ পাঠান!
ধন্যবাদ! আমরা শীঘ্রই আপনার সাথে যোগাযোগ করব।
জরুরি প্রয়োজনে কল করুন: 01713704028
কানসাট মোড় (দিগন্ত ফটোকপির পাশে), চাঁপাইনবাবগঞ্জ


পাসপোর্ট
টিকেট
ভিসা
ওমরাহ
হজ্জ
ট্রেন
🔏 পুলিশ
🚗 ড্রাইভিং
🏖️ কক্সবাজার
💰 মূল্য
সেন্ট মার্টিন
🔄 বিমান ডেট পরিবর্তন
🌍 ইন্টারন্যাশনাল ট্যুর
আপডেট: জুন ২০২৬ | ট্যুরিস্ট · বিজনেস · ওয়ার্ক · স্টুডেন্ট ভিসা চেকলিস্ট
ঢাকা থেকে ২ঘণ্টা
অন-অ্যারাইভাল ভিসা
💰 বাজেট ট্রিপ সম্ভব
🗻 এভারেস্ট ভিউ পয়েন্ট
UNESCO হেরিটেজ সাইট
অক্টো–ডিসেম্বর এবং মার্চ–মে — আকাশ পরিষ্কার, পর্বত দৃশ্যমান, ট্রেকিং উপযুক্ত। জুন–সেপ্টেম্বর মৌসুমি বৃষ্টি।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳৪৫,০০০–৯০,০০০ (৫–৭ দিন, জনপ্রতি)। বাজেট হোটেলে আরো কম।
ভিসা তথ্যত্রিভুবন এয়ারপোর্টে অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাওয়া যায়। ১৫ দিন $৩০, ৩০ দিন $৫০। পাসপোর্ট ও ছবি নিয়ে যান।
কাঠমান্ডুতে ১৫°–২৫°C (অক্টো–মার্চ)। পোখরায় আরামদায়ক। পর্বতে রাতে ঠান্ডা বেশি।
নেপালি রুপি (NPR)। ১ BDT ≈ ১.২৮ NPR। থামেলে ভালো হোটেল ৳১,৫০০–৩,০০০/রাত। খাবার সস্তা।
ঢাকা–কাঠমান্ডু সরাসরি ফ্লাইট (বিমান, US-Bangla)। ভেতরে ট্যাক্সি, স্থানীয় বাস ও টুক-টুক।
কাঠমান্ডু থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে ২,১৯৫ মিটার উচ্চতায় এই গ্রাম। এখান থেকে এভারেস্ট, অন্নপূর্ণা, মানাস্লুসহ ৮টি পর্বত একসাথে দেখা যায়। ভোর ৫টায় উঠলে লালচে সূর্যোদয়ে পর্বতচূড়া স্বর্ণাভ হয়ে ওঠে — দৃশ্যটি একজীবনে ভোলা যায় না।
নেপালের পর্যটন রাজধানী। ফেওয়া লেকের স্বচ্ছ নীল পানিতে অন্নপূর্ণার প্রতিবিম্ব দেখা — অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। লেকসাইডে সারি সারি রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও দোকান। প্যারাগ্লাইডিং, বোটিং ও জিপলাইন করা যায়। সারাংকোট পয়েন্ট থেকে ভোরে পর্বতশ্রেণী দেখা অসাধারণ।
বাগমতী নদীর তীরে অবস্থিত হিন্দুদের সবচেয়ে পবিত্র শিব মন্দির। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। প্রতিদিন সন্ধ্যায় আরতি অনুষ্ঠান হয়। মন্দিরের পাশে ঘাটে অনুষ্ঠিত অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া এই সংস্কৃতির অনন্য দিক।
বিশ্বের বৃহত্তম বৌদ্ধ স্তূপ। ৩৬ মিটার উঁচু এই স্তূপের চারদিকে ১৪৭টি বৌদ্ধ মঠ। তিব্বতিদের মুখে ওম মণি পদ্মে হুম মন্ত্র শুনতে শুনতে স্তূপ প্রদক্ষিণ — অনন্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। এশীয় এক শিং গণ্ডার, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির ও বিরল পাখির আবাস। হাতি ও জিপে সাফারি, ক্যানোয়িং এবং রাতের ক্যাম্পফায়ার — সব মিলিয়ে অবিশ্বাস্য অ্যাডভেঞ্চার।
মধ্যযুগীয় নেওয়ার স্থাপত্যের অনন্য সংগ্রহশালা। ৫৫ উইন্ডো প্যালেস, নাটপোলা মন্দির ও পটারস স্কোয়ার বিখ্যাত। সকালে মাটির পাত্র তৈরি করতে দেখা যায় স্থানীয় কারিগরদের।
গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান — পৃথিবীর অন্যতম পবিত্র স্থান। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। বিভিন্ন দেশের মঠ, বুদ্ধ মূর্তি ও মায়া দেবী মন্দির পরিদর্শন করা যায়।
কাঠমান্ডু থেকে দৃশ্যমান পাহাড়ের চূড়ায় এই প্রাচীন মন্দির। বানরের অবাধ বিচরণ দেখা যায়। চূড়া থেকে পুরো কাঠমান্ডু উপত্যকার প্যানোরামিক দৃশ্য অসাধারণ।
নেপালের জাতীয় খাবার। ডাল, ভাত, তরকারি ও আচার।
নেপালি ডাম্পলিং। চিকেন/ভেজ, স্টিম বা ফ্রাইড, টমেটো চাটনিসহ।
থাকালি সম্প্রদায়ের বিশেষ খাবার সেট। সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু।
নেপালি ঐতিহ্যবাহী মদ (পর্যটকরা এড়িয়ে চলুন)। চায়ের বিকল্প ভালো।
নাগরকোট সানরাইজ ও কাঠমান্ডু ফুল এক্সপ্লোর
নেপাল ট্যুর বুক করুনMaa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেল, গাইড সহ সম্পূর্ণ নেপাল প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুননভেম্বর–ফেব্রুয়ারি মাস সবচেয়ে ভালো। কম বৃষ্টি ও মনোরম আবহাওয়া।
বিমান + হোটেল সহ ৳৬০,০০০–১,২০,০০০ (৬–৮ দিন)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য থাই ভিসা অন-অ্যারাইভাল ৩০ দিনের জন্য পাওয়া যায়।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ু। সারাবছর গরম, ২৫°–৩৫°C। আর্দ্রতা বেশি।
থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত আকর্ষণ। ওয়াট ফ্রা কাও (এমারেল্ড বুদ্ধ মন্দির) এখানেই অবস্থিত।
থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। নাইটলাইফ, ওয়াটার স্পোর্টস ও শপিং।
থাইল্যান্ডের বৃহত্তম দ্বীপ। স্বচ্ছ নীল পানি, ফিফি আইল্যান্ড ও ফান্টাসি শো।
উত্তর থাইল্যান্ডের সাংস্কৃতিক রাজধানী। হাতি পার্ক, রাতের বাজার ও পাহাড়ি মন্দির।
বিশ্বের বৃহত্তম সাপ্তাহিক বাজার। ৮,০০০+ স্টল। সস্তায় কেনাকাটার স্বর্গ।
Maa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ থাইল্যান্ড প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
ঢাকা থেকে ২.৫ঘণ্টা
ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ভিসা
🐠 বিশ্বসেরা স্নরকেলিং
🏠 ওয়াটার ভিলায় থাকুন
🌅 পৃথিবীর সেরা সানসেট
নভেম্বর–এপ্রিল — শুষ্ক মৌসুম, আকাশ পরিষ্কার, সমুদ্র শান্ত। মে–অক্টোবর বর্ষা মৌসুম, তবে সস্তায় যাওয়া যায়।
গেস্টহাউস প্যাকেজ ৳৮০,০০০–১,৫০,০০০, রিসোর্ট প্যাকেজ ৳২,০০,০০০+ (৫–৭ দিন)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অন-অ্যারাইভাল ভিসা। পাসপোর্ট ও হোটেল বুকিং নিয়ে যান।
সারাবছর উষ্ণ ২৫°–৩২°C। সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ২৮°–৩০°C। সাঁতার ও ডাইভিংয়ের জন্য আদর্শ।
মালদ্বীপি রুফিয়া (MVR)। ১ USD ≈ ১৫.৪ MVR। রিসোর্টে ডলার চলে। মাফুশি দ্বীপে তুলনামূলক সাশ্রয়ী।
ঢাকা–মালে সরাসরি ফ্লাইট (বিমান, Maldivian)। দ্বীপে স্পিডবোট ও সিপ্লেন। মাফুশিতে ফেরিও আছে।
সমুদ্রের উপর ঝুলন্ত কাঠের ঘরে থাকার অনুভূতি পৃথিবীর অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। বারান্দা থেকে সরাসরি সমুদ্রে ঝাঁপ দেওয়া যায়। রাতে জলের নিচের নীল আলোয় সামুদ্রিক প্রাণী দেখা — স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর।
মালদ্বীপের রিফ বিশ্বের সেরা ডাইভিং স্পটগুলোর একটি। হোয়েল শার্ক, মান্তা রে, রঙিন কোরাল ও হাজারো প্রজাতির মাছ। মাফুশি থেকে সাশ্রয়ী ডাইভিং ট্যুর পাওয়া যায়।
ভাধো দ্বীপ ও অন্য কিছু দ্বীপের সৈকতে রাতে সমুদ্রের ঢেউ নীল আলোয় জ্বলে ওঠে — প্রকৃতির এক অলৌকিক ঘটনা। জীবনে একবার দেখার মতো দৃশ্য।
সূর্যাস্তের সময় ডলফিন ক্রুজে যাওয়া মালদ্বীপের সবচেয়ে জনপ্রিয় কার্যক্রমগুলোর একটি। ঐতিহ্যবাহী ধোনি নৌকায় রাতে মাছ ধরা — যা ধরবেন তাই রান্না করে খাবেন।
বাজেট পর্যটকদের জন্য সেরা বিকল্প। গেস্টহাউস, স্থানীয় খাবার ও সব অ্যাকটিভিটি তুলনামূলক সস্তায় পাওয়া যায়। মালে থেকে মাত্র ৩৫ মিনিট স্পিডবোটে।
ইউনেস্কো স্বীকৃত জীবমণ্ডল সংরক্ষণ এলাকা। মান্তা রে ও হোয়েল শার্কের সাথে সাঁতার কাটা — পৃথিবীর অন্যতম সেরা ডাইভিং অভিজ্ঞতা।
টুনা মাছের ঝোল — মালদ্বীপের জাতীয় খাবার। গরম ভাত ও লেবুর রস দিয়ে খেতে অসাধারণ।
সকালের নাস্তায় টুনা, নারকেল ও পেঁয়াজ মেশানো ঐতিহ্যবাহী সালাদ। রোটিসহ পরিবেশিত।
রাতের ফিশিং ট্রিপে যা ধরা হবে তাই গ্রিলে রান্না। মালদ্বীপের সবচেয়ে সতেজ অভিজ্ঞতা।
সরাসরি গাছ থেকে সংগ্রহ করা তাজা ডাবের পানি। গরমে পানিশূন্যতা রোধে অতুলনীয়।
মালদ্বীপ ট্যুর বুক করুনMaa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেল ও রিসোর্টসহ সম্পূর্ণ মালদ্বীপ প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুনমার্চ–মে এবং সেপ্টেম্বর–নভেম্বর। বসন্ত ও শরতে আবহাওয়া সুন্দর।
বিমান + হোটেল সহ ৳৮০,০০০–১,৫০,০০০ (৭–১০ দিন)।
ভিসা তথ্যচীনের ভিসা আগে থেকেই করতে হয়। আমরা সম্পূর্ণ ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তা করি।
বিশাল দেশ, আবহাওয়া বৈচিত্র্যময়। বেইজিং শীতল, দক্ষিণে গরম।
বিশ্বের সপ্তমাশ্চর্যের একটি। বেইজিং থেকে সহজেই দিনভ্রমণে যাওয়া যায়।
মিং ও ছিং রাজবংশের সাম্রাজ্যিক প্রাসাদ। ৯,০০০+ কক্ষ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাচীন প্রাসাদ।
প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াংয়ের সমাধিস্থলে ৮,০০০+ মাটির সৈন্য। বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার।
চীনা চিত্রকলার অনুপ্রেরণা। লি নদীর তীরে অসাধারণ পাথুরে পাহাড়। প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গ।
আধুনিক চীনের প্রতীক। পুরনো ইউরোপীয় স্থাপত্য ও আকাশচুম্বী ভবনের মিশেল।
ঢাকা থেকে ৫–৬ ঘণ্টা
ভিসা আগে থেকে করতে হয়
🧱 বিশ্বের সপ্তমাশ্চর্য
বুলেট ট্রেনের দেশ
🍜 বিশ্বের সেরা রন্ধনশৈলী
মার্চ–মে ও সেপ্টেম্বর–নভেম্বর — বসন্ত ও শরৎকাল আদর্শ। গ্রীষ্মে গরম ও আর্দ্র, শীতে বেইজিং অত্যন্ত ঠান্ডা।
বিমান + হোটেল সহ ৳৮০,০০০–১,৫০,০০০ (৭–১০ দিন)। বুলেট ট্রেনে শহর থেকে শহরে যাতায়াত সাশ্রয়ী।
ভিসা তথ্যচীনা দূতাবাসে আগে আবেদন করতে হয়। পাসপোর্ট, ছবি, হোটেল বুকিং, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ফ্লাইট ইটিনারারি লাগে। আমরা সম্পূর্ণ সহায়তা করি।
বেইজিং: শীতে -৫° থেকে ৩°C, গ্রীষ্মে ৩৫°C। শাংহাই তুলনামূলক মৃদু। দক্ষিণ চীন (গুইলিন) সারাবছর উষ্ণ।
চীনা ইউয়ান (CNY/RMB)। ১ USD ≈ ৭.২ CNY। WeChat Pay বা Alipay প্রায় বাধ্যতামূলক — পৌঁছানোর আগেই সেটআপ করুন।
যাতায়াতচীনের হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্ক বিশ্বের সেরা। বেইজিং–শাংহাই ৪.৫ ঘণ্টায় বুলেট ট্রেনে। মেট্রো সিস্টেমও অত্যন্ত উন্নত।
বিশ্বের সপ্তমাশ্চর্যের একটি, ২১,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ। বেইজিং থেকে মুতিয়ানু বা বাদালিং সেকশন দিনেই ঘুরে আসা যায়। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে দিগন্তজোড়া প্রাচীর দেখা — এক অনন্য অনুভূতি।
মিং ও ছিং রাজবংশের সাম্রাজ্যিক প্রাসাদ। ৯৯৯টি কক্ষ ও ৭,২০,০০০ বর্গমিটার জুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাচীন প্রাসাদ কমপ্লেক্স। UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য।
প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াংয়ের সমাধিস্থলে আবিষ্কৃত ৮,০০০+ মাটির সৈন্য — প্রতিটি মুখ আলাদা! ২,২০০ বছরের পুরনো এই আবিষ্কার প্রত্নতত্ত্বের ইতিহাস বদলে দিয়েছে।
পাথুরে পাহাড় ও সবুজ ধানক্ষেতের মাঝে নদীতে ভাসা — চীনা ঐতিহ্যবাহী চিত্রকলার সেই দৃশ্যই বাস্তবে দেখবেন গুইলিনে। ২০ ইউয়ান নোটের পেছনে এই দৃশ্যই ছাপা।
হুয়াংপু নদীর তীরে ঔপনিবেশিক স্থাপত্য আর ওপারে অত্যাধুনিক স্কাইলাইন — পুরনো ও নতুনের অপূর্ব সহাবস্থান। রাতে লাইট শোতে পুরো শহর জ্বলে ওঠে।
বিশ্বের একমাত্র জায়গা যেখানে খাঁটি পরিবেশে বিশাল পান্ডা দেখা যায়। সকালে গিয়ে সবচেয়ে সক্রিয় অবস্থায় দেখবেন। চেংদুর হট পট খাবার থেকেও বঞ্চিত হবেন না।
চীনের সর্বকালের সেরা খাবার। ক্রিস্পি ত্বক ও কোমল মাংস, পাতলা রোলআপ রুটিতে পেঁচিয়ে খাওয়া। বেইজিংয়ে Quanjude রেস্তোরাঁ বিখ্যাত।
সিচুয়ান মরিচের ঝাল ঝোলে সব্জি ও মাংস ডুবিয়ে রান্না করে খাওয়া। তীব্র ঝাল কিন্তু আসক্তিমূলক — না খেলে চীন অসম্পূর্ণ।
বাষ্পে রান্না করা ছোট ছোট ডাম্পলিং — ভেতরে মাংস বা সবজি। শাংহাইয়ের xiao long bao (সুপ ডাম্পলিং) অতুলনীয়।
রো জিয়া মো (মাংস স্যান্ডউইচ) ও বিয়াং বিয়াং নুডলস — শিয়ানের মুসলিম কোয়ার্টারে হালাল রেস্তোরাঁ সারি সারি।
Maa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ চীন প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুনমে–সেপ্টেম্বর পশ্চিম উপকূলে (KL, পেনাং), ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি পূর্ব উপকূলে সেরা। সারাবছর যাওয়া যায়।
বিমান + হোটেল সহ ৳৫৫,০০০–১,১০,০০০ (৫–৭ দিন, জনপ্রতি)। বাজেট হোটেলে আরো কম সম্ভব।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা অনলাইনে পাওয়া যায়। ৩০ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা। আমরা সম্পূর্ণ প্রসেস করি।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয়, ২৩°–৩৪°C। ক্যামেরন হাইল্যান্ডসে শীতল ১৫°C। বৃষ্টি মৌসুম জুন–অক্টোবর।
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিট (MYR)। ১ MYR ≈ ২৫ BDT। কুয়ালালামপুরে মধ্যমানের হোটেল ৳২,০০০–৫,০০০/রাত। রাস্তার খাবার খুবই সস্তা।
ঢাকা–KL সরাসরি ফ্লাইট (বিমান, AirAsia, Batik Air)। শহরে MRT মেট্রো, Grab ট্যাক্সি ও মনোরেল সহজলভ্য।
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টুইন টাওয়ার। কুয়ালালামপুরের প্রতীক। স্কাইব্রিজ থেকে অসাধারণ দৃশ্য।
৯৯টি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত স্বর্গীয় দ্বীপপুঞ্জ। কেবলকার ও ইগল স্কোয়ার বিখ্যাত।
হিন্দু মন্দিরের জন্য বিখ্যাত চুনাপাথরের গুহা। ২৭২ ধাপ সিঁড়ি আর বিশাল মূর্তি।
খাবারের রাজধানী। রাস্তার খাবার, ওল্ড টাউন হেরিটেজ ও সুন্দর সমুদ্র সৈকত।
ঢাকা থেকে ৩.৫ঘণ্টা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিট (MYR)। ১ MYR ≈ ২৫ BDT। কুয়ালালামপুরে মধ্যমানের হোটেল ৳২,০০০–৫,০০০/রাত।
ঢাকা–কুয়ালালামপুর সরাসরি ফ্লাইট (বিমান, AirAsia, Malindo)। শহরে MRT মেট্রো, Grab ও মনোরেল।
পাহাড়ের বুকে সবুজ চা বাগান ও শীতল আবহাওয়া। স্ট্রবেরি ফার্ম, হানি বি ফার্ম ও বটানিক্যাল গার্ডেন। কুয়ালালামপুর থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টার ড্রাইভ — প্রকৃতিপ্রেমীদের আদর্শ গন্তব্য।
পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের পাদদেশে বিশাল পার্ক ও ফোয়ারা। রাতে লাইট শো। আকোয়ারিয়াম KLCC, সুরিয়া মল ও টাওয়ারে স্কাইব্রিজ ভিজিট।
মালয়েশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর সমুদ্র সৈকতের একটি। স্বচ্ছ নীল পানি, কোরাল রিফ ও রঙিন মাছের রাজ্য। স্নরকেলিং ও স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য বিখ্যাত।
নারকেল দুধে রান্না ভাত, সাম্বাল, আনচোভি, ডিম ও পিনাট — মালয়েশিয়ার জাতীয় খাবার।
পেনাংয়ের বিখ্যাত ফ্রাইড রাইস নুডলস। চিংড়ি, ডিম ও বিন স্প্রাউটসহ। অবশ্যই খাবেন।
চিকেন বা গরুর মাংসের বাঁশের শিকে কাবাব। পিনাট সস দিয়ে — মালয়েশিয়ার সেরা স্ট্রিট ফুড।
ম্যাংগোস্টিন, র্যাম্বুটান, ডুরিয়ান — মালয়েশিয়ার এক্সোটিক ফল বাজারে সস্তায় পাওয়া যায়।
Maa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ মালয়েশিয়া প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুনঅক্টোবর–মার্চ। গ্রীষ্মে অসহ্য গরম (৪০°C+), শীতে মনোরম।
বিমান + হোটেল সহ ৳৭০,০০০–১,৮০,০০০ (৫–৭ দিন)।
ভিসা তথ্যসংযুক্ত আরব আমিরাত ভিসা প্রয়োজন। ৩০ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা আমরা করি।
মরুভূমির জলবায়ু। শীতে ১৮°–২৮°C, গ্রীষ্মে ৩৫°–৪৫°C।
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন (৮২৮ মিটার)। ১২৪তলার অবজার্ভেশন ডেক থেকে অসাধারণ দৃশ্য।
খেজুর গাছের আকৃতিতে কৃত্রিম দ্বীপ। বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্য বলা হয়।
রাতের মরুভূমিতে উটের পিঠে চড়া, ডুন ব্যাশিং ও বারবিকিউ ডিনার।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শপিং মল। অ্যাকুয়ারিয়াম, আইস রিংক ও ৯০০+ শপ।
ঢাকা থেকে ৫ঘণ্টা
ভিসা আবেদন লাগে
১০০% হালাল ফুড
🏙️ বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন
🛍️ ট্যাক্স-ফ্রি শপিং
অক্টোবর–মার্চ — তাপমাত্রা ১৮°–২৮°C, মনোরম। গ্রীষ্মকালে (জুন–আগস্ট) ৪৫°C পর্যন্ত উঠতে পারে।
বিমান + হোটেল সহ ৳৭০,০০০–১,৮০,০০০ (৫–৭ দিন, জনপ্রতি)। বাজেট হোটেলে কম।
ভিসা তথ্যUAE ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে হয়। ৩০ দিনের ভিসা আমরা প্রসেস করি। পাসপোর্ট ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট লাগবে।
মরুভূমির জলবায়ু। শীতে ১৮°–২৮°C আরামদায়ক, গ্রীষ্মে ৩৫°–৪৫°C অসহ্য গরম।
UAE দিরহাম (AED)। ১ AED ≈ ৳৩০। বিমানবন্দরে ভালো রেটে ভাঙানো যায়। কার্ড প্রায় সবখানে চলে।
দুবাই মেট্রো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। Careem ট্যাক্সি অ্যাপ বা RTA ট্যাক্সি সহজলভ্য। আবু ধাবি বাসে যাওয়া যায়।
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন (৮২৮ মিটার)। ১২৪তলার At The Top অবজার্ভেশন ডেক থেকে দুবাইয়ের দিগন্তজোড়া দৃশ্য। সন্ধ্যায় ডুবাই ফাউন্টেন শো — পৃথিবীর বৃহত্তম সঙ্গীত ঝর্ণার অপূর্ব ছন্দ।
খেজুর গাছের আকৃতিতে তৈরি কৃত্রিম দ্বীপ — মানুষের নির্মাণ প্রতিভার অষ্টম আশ্চর্য। পাম মনোরেলে চড়ে পুরো দ্বীপটি ঘুরে দেখা যায়। আটলান্টিস হোটেলের ওয়াটারপার্ক সপরিবারে অবশ্যই যাওয়ার মতো।
সূর্যাস্তের সময় বালুর ঢিলায় জিপ চালানো (ডুন ব্যাশিং), উটের পিঠে চড়া, স্যান্ডবোর্ডিং এবং বেদুইন তাঁবুতে আরবি বারবিকিউ ডিনার। বেলি ডান্স ও আগুনের শো দেখা — রাতের মরুভূমির তারাভরা আকাশ অবিস্মরণীয়।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শপিং মল — ৫০+ লক্ষ বর্গফুটে ৯০০+ শপ। ভেতরে বিশাল অ্যাকুয়ারিয়াম, আইস রিংক, সিনেমা কমপ্লেক্স। ট্যাক্স-ফ্রি দেশে কেনাকাটা — বাংলাদেশ থেকে যাওয়া সবার পছন্দের গন্তব্য।
দুবাইয়ের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ। সাদা মার্বেলের অপূর্ব স্থাপত্য। অমুসলিম দর্শনার্থীদের জন্যও সীমিত সময়ে উন্মুক্ত। ইসলামি সভ্যতার শান্ত পরিবেশ মনে স্থায়ী ছাপ ফেলে।
পুরনো দুবাইয়ের ঐতিহাসিক এলাকা। কাঠের নৌকা আবরায় ক্রিক পার হওয়া, গোল্ড সুক ও স্পাইস সুকে কেনাকাটা — সোনার দোকানে শতশত গহনার ঝলমলে সংগ্রহ চোখ ধাঁধায়।
অক্টোবর–এপ্রিলে খোলা বিশাল বিনোদন পার্ক। ৯০টি দেশের সংস্কৃতি, খাবার ও পণ্য এক জায়গায়। আতশবাজি, লাইভ শো এবং রোলারকোস্টার — পরিবার নিয়ে সন্ধ্যা কাটানোর সেরা জায়গা।
আরবি স্ট্রিট ফুডের রাজা। চিকেন বা গরুর মাংস, সস ও সবজি দিয়ে রুটিতে মুড়ে পরিবেশিত। Al Mallah রেস্তোরাঁর শাওয়ারমা বিখ্যাত।
আরবের ঐতিহ্যবাহী খাবার — মাটির নিচে রান্না করা ভাত ও মাংস। দুবাইয়ের যেকোনো আরবি রেস্তোরাঁয় সস্তায় পাওয়া যায়।
ছোলার পেস্ট ও ভাজা ছোলার বল দিয়ে তৈরি মধ্যপ্রাচ্যের আইকনিক নাস্তা। পিটা রুটির সাথে দারুণ।
সুগন্ধি কার্ডামম মেশানো আরবি কফি এলাচের খুশবুতে অনন্য। সাথে সতেজ তাজা খেজুর — আরব আতিথেয়তার প্রতীক।
আবু ধাবি ও দুবাই কম্বো — গ্র্যান্ড মসজিদ ভ্রমণMaa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ দুবাই প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
অক্টোবর–মার্চ মাস। গ্রীষ্মে গরম বেশি, শীতে আরামদায়ক ভ্রমণ।
বাস/ট্রেনে ৳১৫,০০০–৪০,০০০, বিমানে ৳৩৫,০০০–৭০,০০০ (৫–৭ দিন)।
ভিসা তথ্যই-ভিসা অনলাইনে পাওয়া যায়। ট্যুরিস্ট, মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা করি।
বিশাল দেশ, আবহাওয়া বৈচিত্র্যময়। কলকাতায় বাংলাদেশের মতো জলবায়ু।
বিশ্বের সপ্তমাশ্চর্যের একটি। ভালোবাসার প্রতীক। সূর্যোদয়ে এর সৌন্দর্য অতুলনীয়।
বাংলাদেশিদের সবচেয়ে কাছের ভারতীয় শহর। শপিং, চিকিৎসা ও সাংস্কৃতিক ভ্রমণের জন্য আদর্শ।
হিমালয়ের কোলে চা বাগান ও পর্বতের দৃশ্য। টয় ট্রেনে ঘুরে বেড়ানো অসাধারণ অভিজ্ঞতা।
ভারতের রাজধানী। লাল কেল্লা, কুতুব মিনার, জামা মসজিদ ও ইন্ডিয়া গেট।
ই-ভিসা অনলাইনে
কলকাতা মাত্র ৪৫ মিনিট
🏥 মেডিকেল ট্যুরের সেরা গন্তব্য
তাজমহল — বিশ্বের সপ্তমাশ্চর্য
দার্জিলিং থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টা দূরে। ছাঙ্গু লেকের নীল জল, তুষারাবৃত পাহাড় ও ফুলে ঢাকা উপত্যকা। ইয়াকের পিঠে চড়া ও গ্যাংটকের নাথুলা পাস — অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের স্বপ্নের জায়গা।
ভারতের বিনোদন রাজধানী। গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া, মেরিন ড্রাইভ, জুহু বিচ ও বলিউড স্টুডিও। সমুদ্রের পাশে ঘুরে বেড়ানোর অনন্য অভিজ্ঞতা।
ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত গন্তব্য। পর্তুগিজ স্থাপত্য, চার্চ, রঙিন বাড়ি ও নৌকা ভ্রমণের জন্য বিখ্যাত।
রাজস্থানের রাজকীয় শহর। আম্বার দুর্গ, সিটি প্যালেস, হাওয়া মহল ও বিশাল জলমহল। রাজপুত ঐতিহাসিক স্থাপত্যের অতুলনীয় সংগ্রহ।
কলকাতার বিখ্যাত রসগোল্লা, সন্দেশ ও মিষ্টি দই অবশ্যই খাবেন।
কলকাতা বিরিয়ানি (আলু দিয়ে) বিশ্বখ্যাত। পার্ক সার্কাসে সেরা বিরিয়ানি পাওয়া যায়।
সরাসরি বাগান থেকে তাজা দার্জিলিং চা। বিশ্বের সেরা চায়ের একটি।
কলকাতার রাস্তার বিখ্যাত স্ন্যাক। মুঘলাই পরোটায় মাংস-সবজি মোড়ানো।
সিকিমের ঐতিহ্যবাহী মোমো। নেপালি মোমোর চেয়ে একটু আলাদা স্বাদ।
দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী সকালের নাস্তা। সাম্বার ও চাটনিসহ পরিবেশিত।
দার্জিলিং–সিকিম শীতকালীন গ্র্যান্ড ট্যুর
তাজমহল ও দিল্লি হেরিটেজ ট্যুর
ভারত ট্যুর বুক করুনMaa Tours & Travels — ইন্ডিয়ান ভিসা, বিমান, ট্রেন ও হোটেলসহ সম্পূর্ণ প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
ঢাকা থেকে ৩.৫ ঘণ্টা
ভিসা অ্যাপ্লিকেশন প্রয়োজন
২৫% মুসলিম জনগোষ্ঠী
🌿 গার্ডেনস বাই দ্য বে
🌃 মেরিনা বে স্যান্ডস
ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল ও জুলাই–সেপ্টেম্বর — তুলনামূলক কম বৃষ্টি। সিঙ্গাপুরে সারাবছর যাওয়া যায়, তবে এই মাসগুলোয় আবহাওয়া সবচেয়ে অনুকূল।
বিমান + হোটেল সহ ৳৮০,০০০–১,৭০,০০০ (৫–৭ দিন, জনপ্রতি)। সিঙ্গাপুর দামি শহর, তবে পরিকল্পনায় সাশ্রয় সম্ভব।
ভিসা তথ্যসিঙ্গাপুর হাইকমিশনে ই-ভিসা আবেদন করতে হয়। পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও হোটেল বুকিং লাগবে। আমরা সম্পূর্ণ ভিসা সহায়তা করি।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ু। সারাবছর ২৫°–৩৩°C। বৃষ্টি বেশি, কিন্তু সাধারণত সংক্ষিপ্ত। ছাতা সাথে রাখুন।
সিঙ্গাপুর ডলার (SGD)। ১ SGD ≈ ৳৮৫। এমআরটি মেট্রোকার্ড কিনুন — সবচেয়ে সাশ্রয়ী যাতায়াত।
ঢাকা–সিঙ্গাপুর সরাসরি ফ্লাইট (বিমান, Singapore Airlines, Scoot)। শহরে এমআরটি মেট্রো বিশ্বমানের। Grab অ্যাপ দিয়ে ট্যাক্সিও পাওয়া যায়।
তিনটি ৫৫তলা টাওয়ারের উপর ভেসে থাকা অসম্ভব সুন্দর ইনফিনিটি পুল ও অবজার্ভেশন ডেক। রাতের আলোয় মেরিনা বে-র দৃশ্য পৃথিবীর সেরা নগর দৃশ্যগুলোর একটি। স্পেক্ট্রা লাইট শো প্রতিদিন রাতে বিনামূল্যে দেখা যায়।
বিজ্ঞান ও প্রকৃতির অবিশ্বাস্য মিলন। ১৬ তলা উঁচু সুপারট্রি গ্রোভে রাতের লাইট শো দেখা অসাধারণ। ক্লাউড ফরেস্টে কৃত্রিম ঝর্ণা ও বিরল উদ্ভিদের সংগ্রহ — একটি জীবন্ত বোটানিক্যাল স্বর্গ।
সিঙ্গাপুরের বিনোদন দ্বীপ। ইউনিভার্সাল স্টুডিওস, S.E.A. অ্যাকুয়ারিয়াম, সিলোসো বিচ ও লুজ ওয়্যার কেবলকার। সপরিবারে একদিন কাটানোর জন্য আদর্শ। ট্রামপোলিন, বান্জি জাম্প ও ওয়াটার স্পোর্টসও আছে।
বিশ্বের সেরা চিড়িয়াখানাগুলোর একটি। রাতের নাইট সাফারিতে অন্ধকারে মশালের আলোয় বাঘ, সিংহ ও বিরল প্রাণী দেখা — জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। রিভার সাফারিতে বিশালকায় মাছের সাথেও পরিচয় হওয়া যায়।
এশিয়ার অন্যতম বিখ্যাত শপিং স্ট্রিট। ২.২ কিমি দীর্ঘ রাস্তার দুপাশে বিশ্বখ্যাত সব ব্র্যান্ডের শোরুম। আইওন অর্চার্ড, প্যারাগন, নগি সিটি — সব এক জায়গায়।
মুসলিম হেরিটেজ জেলা। সুলতান মসজিদের সোনালি গম্বুজ সিঙ্গাপুরের ইসলামি ঐতিহ্যের প্রতীক। আশেপাশে হালাল খাবারের সারি সারি রেস্তোরাঁ — বিরিয়ানি, মুর্তবাক ও কেবাব পাওয়া যায়।
সিঙ্গাপুরের বহুজাতিক পরিচয়ের জীবন্ত প্রতিফলন। চায়নাটাউনে ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ বাড়ি ও বৌদ্ধ মন্দির, লিটল ইন্ডিয়ায় রঙিন হিন্দু মন্দির ও মশলার দোকান।
সিঙ্গাপুরের জাতীয় খাবার। টমেটো-চিলি সস-এ রান্না করা তাজা কাঁকড়া। ম্যানটু রুটিতে সস মুছে খাওয়া — অসাধারণ অভিজ্ঞতা।
সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড। সিদ্ধ মুরগি, সুগন্ধি ভাত ও বিশেষ সস — সিম্পল কিন্তু অতুলনীয় স্বাদ।
ইন্দোনেশিয়ান-মালয় খাবার। ভাতের সাথে বিভিন্ন কারি ও ভাজাভুজি। হালাল, সস্তা ও সুস্বাদু।
আরব স্ট্রিটে মুর্তবাক (মাংস-ডিমের প্যানকেক) ও সাতে কাবাব অবশ্যই খাবেন। সম্পূর্ণ হালাল।
হালাল খাবার টিপস:হালাল চিহ্নিত রেস্তোরাঁয় খান। আরব স্ট্রিট, লিটল ইন্ডিয়া ও জুরং এলাকায় হালাল খাবার সহজলভ্য। Hawker Centre-এ হালাল স্টল খুঁজুন।
Maa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ সিঙ্গাপুর প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
ঢাকা থেকে ৯–১১ ঘণ্টা
ই-ভিসা অনলাইনে
আয়া সোফিয়া মসজিদ
এপ্রিল–জুন ও সেপ্টেম্বর–নভেম্বর — মনোরম আবহাওয়া, কম ভিড়। ক্যাপাডোশিয়ায় বেলুনের জন্য এপ্রিল–মে সেরা।
বিমান + হোটেল সহ ৳৯০,০০০–২,০০,০০০ (৭–১০ দিন, জনপ্রতি)। তুরস্কে খাবার ও যাতায়াত তুলনামূলক সস্তা।
ভিসা তথ্যতুর্কি ই-ভিসা অনলাইনে পাওয়া যায়। আবেদনের ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অনুমোদন। পাসপোর্ট ও ক্রেডিট কার্ড লাগবে। আমরা সম্পূর্ণ ভিসা সহায়তা করি।
ইস্তানবুলে শীতে ৩°–১০°C, গ্রীষ্মে ২৮°–৩৫°C। ক্যাপাডোশিয়ায় শীতকালে তুষারপাত হয় — রোমান্টিক পরিবেশ।
তুর্কি লিরা (TRY)। বর্তমানে তুলনামূলক সস্তায় যাওয়া সম্ভব। ইস্তানবুলে মধ্যমানের হোটেল ৳২,৫০০–৫,০০০/রাত।
ঢাকা → ইস্তানবুল সরাসরি ফ্লাইট (Turkish Airlines, Emirates হয়ে)। শহরে ট্রাম, মেট্রো ও ফেরি। শহরের মধ্যে Istanbulkart দিয়ে সব চলে।
১,৫০০ বছরের পুরনো এই অসাধারণ স্থাপত্য প্রথমে গির্জা, পরে মসজিদ, মাঝে যাদুঘর এবং এখন আবার মসজিদ। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য। এই গম্বুজের নিচে দাঁড়িয়ে ইসলামি ইতিহাস ও বাইজেন্টাইন স্থাপত্যের মিলন দেখা — অতুলনীয় অনুভূতি।
আগ্নেয়গিরির ছাই থেকে তৈরি অদ্ভুত পাথুরে চিমনি ও গুহাঘর। ভোরের আলোয় শত শত রঙিন বেলুন আকাশে ওড়ে — ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ছবিগুলোর একটি এই দৃশ্য। গুহাঘরের হোটেলে রাত্রিযাপন এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।
"তুলোর দুর্গ" — সাদা চুনাপাথরের ধাপে ধাপে সৃষ্টি হয়েছে গরম পানির প্রাকৃতিক পুল। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য। এই সাদা পাথুরে টেরেসে ভেসে থাকা নীল পানিতে স্নান — প্রকৃতির অলৌকিক উপহার।
২,০০০ বছরের পুরনো রোমান শহর। সেলসাস লাইব্রেরির সামনে দাঁড়ালে মনে হয় সময় থমকে গেছে। মেরি মা-এর বাড়ি হিসেবে বিশ্বাসীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থান এখানেই।
পাহাড়ের পাদদেশে নীল ভূমধ্যসাগরের তীরে অবিশ্বাস্য সুন্দর শহর। প্রাচীন বন্দর, ক্যালেচি পুরনো শহর ও ডুডেন জলপ্রপাত। সমুদ্রে নৌকা ক্রুজ অবশ্যই করতে হবে।
৫০০ বছরের পুরনো বিশ্বের অন্যতম বড় কভার্ড মার্কেট। ৪,০০০+ দোকান। তুর্কি কার্পেট, চামড়ার জিনিস, মশলা, চকলেট ও পিতলের জিনিসপত্র — দর-কষাকষি করে কিনুন।
ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে বসফরাস প্রণালিতে নৌকায় চড়া — দুই মহাদেশ একসাথে দেখার অনন্য অভিজ্ঞতা। তীরের সারি সারি প্রাসাদ, মসজিদ ও দুর্গ দেখতে দেখতে ভাসতে থাকুন।
রোটিসারিতে ঘোরানো মাংস কেটে রুটি বা পিলাফের সাথে পরিবেশিত। তুরস্কের রাস্তায় রাস্তায় পাওয়া যায়।
পাতলা পেস্ট্রির স্তরে পেস্তা বা আখরোট ভরা মিষ্টি, মধু ও রোজ ওয়াটারে ভেজানো। গাজিয়ান্তেপের বাকলাভা বিশ্বখ্যাত।
ক্যাপাডোশিয়ার বিখ্যাত রান্না পদ্ধতি। মাটির পাত্রে রান্না করা মাংস — পাত্র ভেঙে পরিবেশন করা হয়।
তুরস্কে চা ও কফি সংস্কৃতি অনন্য। গ্লাসে পরিবেশিত কালো চা, ইস্তানবুলের ঐতিহ্যবাহী কফি হাউসে বসা।
সিমিত হলো তিলের রিং রুটি — ইস্তানবুলের রাস্তার সকালের নাস্তা। বোরেক হলো পনির বা মাংসভরা ক্রিস্পি পেস্ট্রি।
চিনি ও কর্নস্টার্চের জেলি মিষ্টি। গোলাপ, পেস্তা ও কমলার ফ্লেভারে। দেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য সেরা উপহার।
ইস্তানবুল হেরিটেজ ও বসফরাস ক্রুজ ট্যুর
তুরস্ক ট্যুর বুক করুনMaa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ তুরস্ক প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
হজ্জ ও ওমরাহর দেশ
ঢাকা থেকে ৫–৬ ঘণ্টা
হজ্জ/ওমরাহ ভিসা প্রযোজ্য
নভেম্বর–মার্চ — আবহাওয়া ঠান্ডা ও আরামদায়ক। ওমরাহর জন্য রমজানের বাইরে যেকোনো সময়। হজ্জ নির্দিষ্ট তারিখে (জিলহজ ৮–১৩)।
ওমরাহ: বিমান + হোটেল সহ ৳৮৮,৫০০–১,৮০,০০০ (১০–১৫ দিন)। হজ্জ সরকারি প্যাকেজ আলাদা। Maa Tours থেকে সাশ্রয়ী প্যাকেজ পাওয়া যায়।
ভিসা তথ্যওমরাহ ভিসার জন্য পাসপোর্ট (৬ মাস মেয়াদ), ছবি, মেডিকেল ও মেনিনজাইটিস টিকা কার্ড লাগে। হজ্জ ভিসা সরকারি নিবন্ধনের মাধ্যমে। আমরা সম্পূর্ণ সহায়তা করি।
মক্কা-মদিনায় গ্রীষ্মে ৪০°–৪৮°C (ছাতা ও পানি অপরিহার্য)। শীতে ১৮°–২৮°C। উত্তরে AlUla-তে শীতকালে রাতে ঠান্ডা পড়ে।
সৌদি রিয়াল (SAR)। ১ SAR ≈ ৩১–৩২ BDT। মক্কায় হোটেল হারামের কাছে ব্যয়বহুল। মদিনায় তুলনামূলক সাশ্রয়ী হোটেল পাওয়া যায়।
ঢাকা → জেদ্দা বা মদিনা সরাসরি ফ্লাইট (Biman, Saudia, flynas)। মক্কা-মদিনার মধ্যে হারামাইন হাই-স্পিড রেল (৪০ মিনিট)। লোকাল বাস ও ট্যাক্সি সুলভ।
পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র মসজিদ। কা'বা শরীফকে কেন্দ্র করে তাওয়াফ, সাফা-মারওয়া সাঈ এবং সকল হজ্জ ও ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা এখানেই। মসজিদটি ৪,৫০,০০০ মুসল্লি ধারণ করতে পারে। হজ্জ মৌসুমে ২০ লক্ষের বেশি মানুষ একসাথে ইবাদত করেন।
নবী মুহাম্মদ (সা.) কর্তৃক নির্মিত মসজিদ। রওজা শরিফে নবীজি, হজরত আবু বকর ও হজরত ওমর (রা.)-এর মাজার। রিয়াজুল জান্নাহ — জান্নাতের টুকরো। ১০ লক্ষের বেশি মুসল্লির জায়গা। পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিময় জায়গা।
যে গুহায় নবী মুহাম্মদ (সা.) ধ্যান করতেন এবং প্রথম ওহী অবতীর্ণ হয়েছিল। ১৬৪ মিটার উঁচু পাহাড়ে প্রায় ১,৩৫০ ধাপ বেয়ে উঠতে হয়। ভোরে উঠলে ভিড় কম।
হিজরতের সময় নবীজি ও হজরত আবু বকর (রা.) যে পাহাড়ের গুহায় ৩ দিন আশ্রয় নিয়েছিলেন। মক্কার দক্ষিণে অবস্থিত। ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী অধ্যায়গুলোর একটি।
কুবা মসজিদ — ইসলামের প্রথম মসজিদ। নবীজি বললেন এখানে ২ রাকাত নামাজ পড়লে ওমরাহর সওয়াব। কিবলাতাইন মসজিদে কিবলা পরিবর্তনের ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে।
সৌদি আরবের নতুন পর্যটন রত্ন। ২,০০০ বছরের পুরনো নাবাতিয়ান সমাধি, লাল বালির পাহাড় ও হেগ্রা (মাদাইন সালিহ) — পেট্রার চেয়ে পুরনো। UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য।
সৌদির বাণিজ্যিক রাজধানী। আল-বালাদ (UNESCO) — প্রবালশিলায় নির্মিত ঐতিহাসিক শহর। King Fahd ফোয়ারা বিশ্বের সর্বোচ্চ। রোমান্টিক কর্নিশ লোহিত সাগরের তীরে।
সৌদি রাজধানীর আধুনিক স্কাইলাইন। Kingdom Centre Tower — ৩০২ মিটার, সিঁড়িতে উঠে পুরো শহর দেখুন। দিরিয়া (UNESCO) — সৌদ রাজবংশের জন্মস্থান।
মিকাতে ইহরামের কাপড় পরুন, নিয়ত করুন ও তালবিয়া পাঠ করুন।
কা'বার চারদিকে ঘড়ির বিপরীত দিকে ৭ বার প্রদক্ষিণ করুন।
সাফা থেকে মারওয়া ও মারওয়া থেকে সাফায় ৭ বার হাঁটুন।
মাথা মুণ্ডন (পুরুষ) বা চুলের অগ্রভাগ কাটুন — ওমরাহ সম্পন্ন।
রমজান ওমরাহ — পবিত্রতম ২০ দিন
ওমরাহ + জেদ্দা সিটি ট্যুরমাটির নিচে তন্দুরে ধীরে রান্না করা ভেড়ার মাংস ও চাল — সৌদির সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার।
মশলাদার চালে মাংস রান্না — সৌদির জাতীয় খাবার। সারা দেশে পরিবেশন করা হয়।
মাটির নিচে চাপা দিয়ে রান্না করা উট বা ভেড়ার মাংস — মদিনার বিশেষত্ব।
এলাচ দেওয়া হলুদ কফি (gahwa) ও মেডজুল খেজুর — আতিথেয়তার প্রতীক, সর্বত্র পাওয়া যায়।
লাবান হলো সৌদির বাটারমিল্ক, জামান হলো ঘন দই। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখে।
সিদ্ধ ফাভা বিনস, লেবু ও জলপাই তেলে রান্না — ঐতিহ্যবাহী সকালের নাস্তা।
হজ্জ ও ওমরাহ প্যাকেজ বুক করুনMaa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেলসহ সম্পূর্ণ হজ্জ-ওমরাহ প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
ট্রানজিট ফ্লাইট ৬–৮ঘণ্টা
ই-ভিসা সহজে পাওয়া যায়
💰 বাজেট ট্রিপ সম্ভব
⛵ হা লং বে UNESCO
🍜 বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড
নভেম্বর–এপ্রিল — শুষ্ক ও আরামদায়ক আবহাওয়া। মে–অক্টোবর বর্ষা ও তাপপ্রবাহ থাকে।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳৭০,০০০–১,৩০,০০০ (৬–৮ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যঅনলাইনে ই-ভিসা আবেদন করা যায় (evisa.gov.vn), ফি প্রায় $২৫, প্রসেসিং ৩–৭ দিন।
হ্যানয়ে শীতকালে ১৫°–২২°C, দক্ষিণে সারাবছর উষ্ণ ২৫°–৩৩°C।
ভিয়েতনামি ডং (VND)। ১ BDT ≈ ২২৫ VND। স্ট্রিট ফুড ও লোকাল হোটেল বেশ সাশ্রয়ী।
ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই — ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর বা সিঙ্গাপুর হয়ে কানেক্টিং ফ্লাইট।
ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। হাজারো চুনাপাথরের দ্বীপের মাঝে ক্রুজ জাহাজে রাত কাটানো — কায়াকিং, গুহা ভ্রমণ ও সূর্যাস্তের দৃশ্য মিলিয়ে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
ইউনেস্কো হেরিটেজ শহর। রাতে রঙিন লণ্ঠনে আলোকিত থু বন নদীর পাশের পুরনো বাড়িঘর ও কাস্টম টেইলরিং দোকান — হাঁটার মতোই সেরা শহর।
ব্যস্ত আধুনিক শহর, যুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ও ঐতিহাসিক কু চি টানেল — ভিয়েতনাম যুদ্ধের ইতিহাস সরাসরি অনুভব করার সুযোগ।
সরু গলির মাঝে স্ট্রিট ফুড, ফ্রেঞ্চ কলোনিয়াল স্থাপত্য ও হ্রদের পাশে সন্ধ্যার আড্ডা — হ্যানয়ের প্রাণ এই এলাকায়।
পাহাড়ি উপজাতিদের গ্রাম ও সবুজ ধাপে ধাপে ধান ক্ষেত। ট্রেকিং ও হোমস্টে অভিজ্ঞতার জন্য বিখ্যাত — মেঘের মাঝে হাঁটার অনুভূতি।
নদীপথে ভাসমান বাজার, ফলের বাগান ও স্থানীয় গ্রামীণ জীবন দেখার সুযোগ। নৌকায় চড়ে নারিকেল ক্যান্ডি তৈরি দেখা যায়।
ভিয়েতনামের জাতীয় নুডল স্যুপ। গরুর/মুরগির মাংস, তাজা হার্বস সহ।
ফ্রেঞ্চ-ভিয়েতনামি স্যান্ডউইচ। মাংস, আচার ও হার্বস ভরা সুস্বাদু বাগেট।
ফ্রেশ স্প্রিং রোল — চাল কাগজে শাকসবজি, চিংড়ি ও পিনাট সস।
হ্যানয়ের বিশেষ কফি — ডিমের ফেটানো ক্রিম ও কফির মিশ্রণ।
ঢাকা থেকে ৩ঘণ্টা সরাসরি
ETA অনলাইন ভিসা
💰 বাজেট ট্রিপ সম্ভব
🏞️ চা বাগান ও পাহাড়
🏛️ ৮টি UNESCO সাইট
ডিসেম্বর–মার্চ পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলের জন্য সেরা। মে–সেপ্টেম্বর পূর্বাঞ্চলে ভালো।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳৫৫,০০০–১,০০,০০০ (৬–৮ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যঅনলাইনে ETA (Electronic Travel Authorization) আবেদন করুন, ফি প্রায় $২৫–৫০, কয়েক মিনিটেই অনুমোদন।
কলম্বোতে উষ্ণ ২৬°–৩২°C। পাহাড়ি এলাকা (ক্যান্ডি, এলা) ঠান্ডা ও মনোরম।
শ্রীলঙ্কান রুপি (LKR)। ১ BDT ≈ ২.৭ LKR। স্থানীয় খাবার ও পরিবহন সাশ্রয়ী।
ঢাকা–কলম্বো সরাসরি ফ্লাইট (বিমান, FlySriLankan)। ভেতরে ট্রেন, টুক-টুক ও প্রাইভেট কার।
ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। প্রাচীন রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ ও ফ্রেস্কো নিয়ে ২০০ মিটার উঁচু এই পাথুরে দুর্গ — চূড়া থেকে পুরো জঙ্গলের প্যানোরামিক দৃশ্য অবিশ্বাস্য।
ক্যান্ডি থেকে এলা পর্যন্ত পাহাড়ি ট্রেন যাত্রা বিশ্বের সুন্দরতম ট্রেন রুটগুলোর একটি। সবুজ চা বাগানের মাঝে নাইন আর্চেস ব্রিজে ছবি তোলা মাস্ট-ডু।
বুদ্ধের দাঁতের পবিত্র ধাতু সংরক্ষিত মন্দির। সন্ধ্যায় পুজো অনুষ্ঠান ও ক্যান্ডি লেকের পাশে হাঁটা — শান্ত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
ডাচ ঔপনিবেশিক আমলের সমুদ্রতীরের দুর্গ শহর। ইউনেস্কো হেরিটেজ। প্রাচীর ঘেরা পুরনো রাস্তায় বুটিক শপ ও সমুদ্রের পাশে সূর্যাস্ত দেখা।
বন্য হাতির জন্য বিখ্যাত। জিপ সাফারিতে শতাধিক হাতির দল, ময়ূর ও বিভিন্ন পাখি দেখার সুযোগ — ওয়াইল্ডলাইফ প্রেমীদের জন্য আদর্শ।
সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি তিমি ও ডলফিন দেখার বোট ট্যুরের জন্য বিখ্যাত। নারিকেল গাছের সারির মাঝে নির্জন সৈকতে রিল্যাক্স করার আদর্শ জায়গা।
ভাত সাথে নারিকেল দুধে রান্না নানারকম তরকারি ও স্যাম্বল।
নারিকেল দুধে তৈরি বাটির মতো প্যানকেক, ডিমসহ পরিবেশন হয়।
কুঁচানো রোটি, সবজি ও মাংস দিয়ে কড়াইতে তৈরি জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড।
বিশ্বের অন্যতম সেরা চা। চা বাগান থেকেই সতেজ চা কেনা যায়।
ট্রানজিট ফ্লাইট ৮–১০ঘণ্টা
ফ্রি ভিজিট ভিসা
🏝️ হানিমুন ডেস্টিনেশন
🛕 হিন্দু মন্দির ও সংস্কৃতি
🌾 রাইস টেরাস
এপ্রিল–অক্টোবর — শুষ্ক মৌসুম, সমুদ্র শান্ত। নভেম্বর–মার্চ বর্ষা মৌসুম।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳৮৫,০০০–১,৬০,০০০ (৬–৮ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য ৩০ দিন ফ্রি ভিজিট ভিসা অন-অ্যারাইভাল, প্রয়োজনে ৩০ দিন বাড়ানো যায়।
সারাবছর উষ্ণ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়া ২৬°–৩৩°C। উবুদে কিছুটা ঠান্ডা।
ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া (IDR)। ১ BDT ≈ ১৪৫ IDR। লোকাল ওয়ারুং-এ খাবার সাশ্রয়ী।
ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই — কুয়ালালামপুর বা সিঙ্গাপুর হয়ে কানেক্টিং ফ্লাইটে দেনপাসার (বালি)।
সবুজ ধাপে ধাপে ধান ক্ষেত ও শিল্পের শহর উবুদ। বানর বনাঞ্চল (Monkey Forest), যোগ স্টুডিও ও ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনার জন্য বিখ্যাত।
সমুদ্রের মাঝে পাথরের উপর দাঁড়িয়ে থাকা হিন্দু মন্দির। সূর্যাস্তের সময় এর সিল্যুয়েট বালির সবচেয়ে আইকনিক দৃশ্য।
কেলিংকিং বিচ ও ব্রোকেন বিচের নাটকীয় ক্লিফ — ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি শেয়ার হওয়া বালির দৃশ্য। স্নরকেলিং ও ম্যান্টা রে দেখার সুযোগ।
সার্ফিং, বিচ ক্লাব ও নাইটলাইফের জন্য বিখ্যাত। সেমিনিয়াকে বিলাসবহুল বিচ ক্লাবে সূর্যাস্ত দেখা — তরুণদের পছন্দের জায়গা।
সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায় ভোরে ট্রেক করে সূর্যোদয় দেখা — মেঘের উপরে দাঁড়িয়ে সূর্য উঠার দৃশ্য জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।
সমুদ্রতীরের ক্লিফের উপর প্রাচীন মন্দির। সন্ধ্যায় আগুনের আলোয় ঐতিহ্যবাহী কেচাক নৃত্য পরিবেশনা — অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।
বালির ঐতিহ্যবাহী রোস্টেড পোর্ক — (মুসলিম পর্যটকরা এড়িয়ে চলুন)।
ইন্দোনেশিয়ান ফ্রায়েড রাইস, ডিম ও স্যাটে সহ পরিবেশন হয়।
মুরগি/গরুর মাংসের কাবাব, পিনাট সসে পরিবেশিত।
তাজা ডাব ও ট্রপিকাল ফল — ম্যাঙ্গোস্টিন, ড্রাগন ফ্রুট সাশ্রয়ী।
ট্রানজিট ফ্লাইট ৯–১২ঘণ্টা
ভিসা আবেদন প্রয়োজন
🌸 চেরি ব্লসম সিজন
🚄 বুলেট ট্রেন
🗻 মাউন্ট ফুজি
মার্চ–মে (চেরি ব্লসম) এবং অক্টোবর–নভেম্বর (অটাম কালার) সবচেয়ে সুন্দর সময়।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳১,৮০,০০০–৩,৫০,০০০ (৭–৯ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশি দূতাবাসে ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে হয়, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ট্যুর প্ল্যান সহ — প্রসেসিং ৭–১০ কর্মদিবস।
চার ঋতু — বসন্ত ১২°–২০°C, গ্রীষ্ম গরম-আর্দ্র, শীতে টোকিওতে ৩°–১০°C, হোক্কাইডোতে বরফ।
জাপানি ইয়েন (JPY)। ১ BDT ≈ ১.৩ JPY। জাপান তুলনামূলক ব্যয়বহুল গন্তব্য।
ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই — ব্যাংকক/সিঙ্গাপুর/দুবাই হয়ে কানেক্টিং। দেশে JR Pass-এ বুলেট ট্রেন।
বিশ্বের ব্যস্ততম পথচারী ক্রসিং শিবুয়া, প্রাচীন সেনসো-জি মন্দির আসাকুসায়, এবং টোকিও স্কাইট্রি থেকে শহরের প্যানোরামিক দৃশ্য।
হাজারো লাল তোরি গেট দিয়ে সাজানো ফুশিমি ইনারি মন্দির এবং সোনালি মন্দির কিনকাকু-জি — জাপানের ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্যের প্রতীক।
জাপানের সর্বোচ্চ ও সবচেয়ে আইকনিক পর্বত। কাওয়াগুচিকো লেক থেকে প্রতিফলিত ফুজির দৃশ্য বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়।
শত শত মুক্ত বিচরণকারী হরিণ ঘুরে বেড়ায় নারা পার্কে, পাশেই তোদাই-জি মন্দিরে বিশ্বের বৃহত্তম কাঠের ভবনে বুদ্ধমূর্তি।
রাতের আলোকিত ডোটনবোরি নদীর পাশে স্ট্রিট ফুডের স্বর্গ, এবং ঐতিহাসিক ওসাকা ক্যাসল — জাপানের সবচেয়ে প্রাণবন্ত শহরের একটি।
শীতকালে বরফে ঢাকা সাপোরো স্নো ফেস্টিভাল ও হট স্প্রিং (Onsen) — তাজা সিফুড ও স্কিইংয়ের জন্য বিখ্যাত অঞ্চল।
গরম নুডল স্যুপ, বিভিন্ন স্বাদের ব্রথ ও টপিং সহ।
সাজানো লাঞ্চ বক্স, চাল-মাছ-সবজির সুষম সমন্বয়।
ওসাকার বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড — অক্টোপাস বল ও সেভরি প্যানকেক।
চালের কেক মিষ্টি ও সবুজ চায়ের স্বাদে তৈরি ডেজার্ট। (হালাল রেস্তোরাঁ খুঁজে নিন)
ঢাকা থেকে ৪.৫ঘণ্টা সরাসরি
ফ্রি ভিজিট ভিসা
🏗️ আধুনিক স্থাপত্য
🐪 ডেজার্ট সাফারি
🕌 ইসলামিক হেরিটেজ
নভেম্বর–মার্চ — আরামদায়ক ঠান্ডা আবহাওয়া। এপ্রিল–অক্টোবর প্রচণ্ড গরম।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳৭৫,০০০–১,৫০,০০০ (৫–৭ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য ফ্রি ভিজিট ভিসা অন-অ্যারাইভাল/অনলাইনে, ৩০ দিনের জন্য বৈধ।
শীতকালে আরামদায়ক ১৫°–২৫°C। গ্রীষ্মে ৪০°C+ — মরুভূমির তাপ অত্যন্ত বেশি।
কাতারি রিয়াল (QAR)। ১ BDT ≈ ০.০৩৩ QAR। হোটেল ও খাবার তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
ঢাকা–দোহা সরাসরি ফ্লাইট (Qatar Airways, বিমান)। শহরে মেট্রো, ট্যাক্সি ও উবার সহজলভ্য।
বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ইসলামিক শিল্পের সংগ্রহশালা। স্থাপত্যশৈলীও নিজেই এক শিল্পকর্ম — সমুদ্রের তীরে অবস্থিত আইকনিক ভবন।
প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাজার। মসলা, পারফিউম, হস্তশিল্প ও স্থানীয় রেস্তোরাঁয় ভরপুর — সন্ধ্যায় ঘুরতে সবচেয়ে প্রাণবন্ত জায়গা।
কৃত্রিম দ্বীপের উপর বিলাসবহুল মারিনা, শপিং ও ওয়াটারফ্রন্ট রেস্তোরাঁ। ভেনিসের আদলে তৈরি কানাল সাইড ওয়াকওয়ে বিখ্যাত।
৪x৪ ডিউন বাশিং করে মরুভূমির বালির পাহাড়ে যাত্রা, সৌদি সীমান্তের কাছে ইনল্যান্ড সি-তে অসাধারণ সূর্যাস্ত।
দোহার সমুদ্রতীরে হাঁটার পথ, রাতে আলোকিত আকাশচুম্বী ভবনের স্কাইলাইন দেখার সেরা জায়গা — পরিবার নিয়ে হাঁটার আদর্শ স্থান।
২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনকারী আইকনিক স্টেডিয়ামগুলো এখনো ট্যুরের জন্য খোলা — ফুটবল ভক্তদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।
কাতারের জাতীয় খাবার — মসলাযুক্ত চাল ও মাংস (মুরগি/মাটন)।
সুক ওয়াকিফের রাস্তায় সহজলভ্য জনপ্রিয় আরবি স্ট্রিট ফুড।
মেহমানদারির অংশ — এলাচ-জাফরান মিশ্রিত কফি, খেজুরের সাথে পরিবেশিত।
গ্রিলড মাংস ও মসলাযুক্ত চালের সমন্বয় — সব রেস্তোরাঁয় হালাল।
ট্রানজিট ফ্লাইট ৮–১০ঘণ্টা
ভিসা আবেদন প্রয়োজন
🎵 কে-পপ ও কে-ড্রামা
🏯 ঐতিহাসিক প্যালেস
🍢 স্ট্রিট ফুড সংস্কৃতি
মার্চ–মে (চেরি ব্লসম) এবং সেপ্টেম্বর–নভেম্বর (অটাম কালার) সবচেয়ে ভালো সময়।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳১,৩০,০০০–২,৪০,০০০ (৬–৮ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশি দূতাবাসে ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে হয়, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ইটিনেরারি সহ — প্রসেসিং ৫–১০ কর্মদিবস।
চার ঋতু — বসন্ত-শরৎ মনোরম ১০°–২২°C, শীতে বরফ পড়ে -৫°–৫°C, গ্রীষ্মে গরম-আর্দ্র।
দক্ষিণ কোরিয়ান ওন (KRW)। ১ BDT ≈ ১২ KRW। সিউলে খরচ তুলনামূলক বেশি।
ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই — ব্যাংকক/সিঙ্গাপুর হয়ে কানেক্টিং। দেশে KTX বুলেট ট্রেন ও মেট্রো।
জোসেওন রাজবংশের প্রধান রাজপ্রাসাদ। হ্যানবোক (ঐতিহ্যবাহী পোশাক) পরে ছবি তোলা পর্যটকদের জনপ্রিয় কার্যক্রম।
সিউলের সবচেয়ে প্রাণবন্ত শপিং ও স্ট্রিট ফুড এলাকা। কে-বিউটি প্রোডাক্ট, ফ্যাশন ও তরুণদের সংস্কৃতির কেন্দ্র।
সিউলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পাহাড়ের চূড়ায় টাওয়ার থেকে শহরের প্যানোরামিক দৃশ্য, প্রেমিক যুগলদের লক লাগানোর জনপ্রিয় স্থান।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রতীরের শহর। রঙিন গামচিওন কালচার ভিলেজ ও সমুদ্র সৈকতের পাশে সিফুড মার্কেট।
আগ্নেয়গিরির দ্বীপ, ইউনেস্কো হেরিটেজ। হালা পর্বত, লাভা টানেল ও সমুদ্রতীরের সৌন্দর্যে কোরিয়ানদের প্রিয় হানিমুন গন্তব্য।
জনপ্রিয় কে-ড্রামা ও কে-পপ শুটিং স্পট ভ্রমণ — হংদে স্ট্রিট পারফরম্যান্স ও এজেন্সি ভবন দেখার সুযোগ।
ক্রিস্পি ও মসলাযুক্ত — বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় কোরিয়ান স্ট্রিট ফুড।
মিশ্র সবজি, ভাত ও মাংস/ডিম দিয়ে তৈরি জাতীয় খাবার।
মসলাযুক্ত স্টিকি রাইস কেক — কোরিয়ান স্ট্রিট ফুডের প্রতীক।
টেবিলে গ্রিল করা মাংস — হালাল-সার্টিফাইড রেস্তোরাঁ পাওয়া যায়।
ট্রানজিট ফ্লাইট ৬–৮ঘণ্টা
ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ভিসা
🎢 ডিজনিল্যান্ড
🌃 স্কাইলাইন ভিউ
🛍️ শপিং প্যারাডাইস
অক্টোবর–ডিসেম্বর — শুষ্ক, আরামদায়ক আবহাওয়া। জুন–সেপ্টেম্বর আর্দ্র ও টাইফুনের সম্ভাবনা।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳৯০,০০০–১,৭০,০০০ (৫–৭ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য ফ্রি ভিজিট ভিসা অন-অ্যারাইভাল, ১৪ দিন পর্যন্ত বৈধ।
শীতকালে মনোরম ১৫°–২২°C। গ্রীষ্মে গরম-আর্দ্র ২৮°–৩৩°C।
হংকং ডলার (HKD)। ১ BDT ≈ ০.০৭ HKD। শহর তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই — ব্যাংকক/সিঙ্গাপুর/কুয়ালালামপুর হয়ে কানেক্টিং। শহরে MTR মেট্রো খুবই দক্ষ।
হংকংয়ের সবচেয়ে আইকনিক ভিউপয়েন্ট। ঐতিহাসিক পিক ট্রাম দিয়ে উঠে রাতে আকাশচুম্বী ভবনের আলোকিত স্কাইলাইন দেখা — বিশ্বের সেরা নাইট ভিউগুলোর একটি।
পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য আদর্শ থিম পার্ক। ক্যাসল শো, রাইড ও প্যারেড নিয়ে সারাদিনের আনন্দময় অভিজ্ঞতা।
শপিং ও নাইট মার্কেটের প্রাণকেন্দ্র। ভিক্টোরিয়া হারবারের পাশে সিম্ফনি অব লাইটস শো প্রতি রাতে অনুষ্ঠিত হয়।
কেবল কারে পাহাড়ের উপরে ভ্রমণ, বিশ্বের বৃহত্তম আউটডোর তাম্রমূর্তি তিয়ান তান বুদ্ধ দর্শন — শান্ত পরিবেশে আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।
ঐতিহ্যবাহী ফেরিতে হংকং আইল্যান্ড ও কাউলুনের মধ্যে যাত্রা — সমুদ্র থেকে শহরের স্কাইলাইন দেখার সাশ্রয়ী উপায়।
রাতের বাজারে স্ট্রিট ফুড, ভাগ্য গণনাকারী ও সস্তা গ্যাজেট-পোশাকের পাশাপাশি স্থানীয় জীবনযাত্রার প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতা।
ছোট ছোট স্টিমড ডাম্পলিং — চিংড়ি, মাংস ও সবজি ভর্তি।
চিংড়ি-ভর্তি ডাম্পলিং সহ পাতলা নুডল স্যুপ।
পর্তুগিজ-প্রভাবিত মিষ্টি ডেজার্ট — খাস্তা ক্রাস্টে কাস্টার্ড ফিলিং।
রাস্তার পাশের জনপ্রিয় স্ন্যাক — মসলাযুক্ত কারি সসে।
Maa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেল, গাইড সহ সম্পূর্ণ হংকং প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুন
ফ্লাইট ৮–১০ঘণ্টা (ট্রানজিট)
ই-ভিসা সুবিধা
🔺 গিজার পিরামিড
🚢 নীল নদ ক্রুজ
🏝️ রেড সি রিসোর্ট
অক্টোবর–এপ্রিল — শীতল ও আরামদায়ক আবহাওয়া। মে–সেপ্টেম্বর মরুভূমির প্রচণ্ড গরম এড়িয়ে চলুন।
বিমান + হোটেল + খাবার সহ ৳১,১০,০০০–২,০০,০০০ (৬–৮ দিন, জনপ্রতি)।
ভিসা তথ্যবাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা অনলাইনে আবেদন করা যায়, ৩০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি।
শীতকালে মনোরম ১৫°–২৫°C। গ্রীষ্মে মরুভূমির তীব্র গরম ৩৫°–৪৫°C।
ইজিপশিয়ান পাউন্ড (EGP)। থাকা-খাওয়ার খরচ তুলনামূলক সাশ্রয়ী।
ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই — দুবাই/দোহা/ইস্তানবুল হয়ে কানেক্টিং ফ্লাইট। কায়রোতে মেট্রো ও ট্যাক্সি সহজলভ্য।
বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একমাত্র টিকে থাকা নিদর্শন। খুফু, খাফরে ও মেনকাউরের পিরামিড এবং রহস্যময় গ্রেট স্ফিংক্স — মানব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
ফারাওদের সোনার ধনসম্পদ ও তুতানখামেনের মমি সংরক্ষিত আছে গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়ামে। পুরনো কায়রোর মসজিদ ও বাজার ইতিহাসের ছোঁয়া দেয়।
প্রাচীন থিবসের রাজধানী — কারনাক মন্দির, লুক্সর মন্দির এবং রাজাদের উপত্যকায় লুকানো ফারাওদের সমাধি দর্শন।
লুক্সর থেকে আসওয়ান পর্যন্ত বিলাসবহুল ক্রুজে নীল নদের তীরের প্রাচীন মন্দির ও গ্রামীণ জীবন উপভোগ করা যায়।
রেড সি-এর স্বচ্ছ নীল জলে স্নরকেলিং ও স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য বিশ্বখ্যাত সৈকত রিসোর্ট।
কায়রোর ঐতিহ্যবাহী বাজারে মশলা, গহনা ও হস্তশিল্পের পাশাপাশি স্থানীয় কফিহাউজে শিশা ও আরবি চায়ের আমেজ।
ভাত, পাস্তা, মসুর ডাল ও টমেটো সসের মিশ্রণে তৈরি মিশরের জাতীয় খাবার।
ফাভা বিন দিয়ে তৈরি মিশরীয় ধাঁচের ফালাফেল, ব্রেকফাস্টে জনপ্রিয়।
মসলাদার গ্রিলড মাংস, সাধারণত রুটি ও সালাদের সাথে পরিবেশিত।
দুধ, বাদাম ও পেস্ট্রি দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী মিশরীয় মিষ্টি ডেজার্ট।
Maa Tours & Travels — ভিসা, বিমান, হোটেল, গাইড সহ সম্পূর্ণ মিশর প্যাকেজ।
কল করুন বুকিং করুনঅনুসন্ধান করুন...
মক্কা মুকাররমা — পৃথিবীর কেন্দ্র ও ইসলামের প্রাণকেন্দ্র। এখানকার প্রতিটি স্থান নবী-রাসূলদের স্মৃতিবিজড়িত। হজ্জ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য এই স্থানগুলো পরিদর্শন অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।

মূল স্থাপনাকা'বা শরীফ, হাজরে আসওয়াদ, মাকামে ইব্রাহিম, হিজরে ইসমাইল, মিযাবে রহমত, বাবুস সালাম, বিয়ারে যমযম, সাফা-মারওয়া।কা'বার গুরুত্বপূর্ণ অংশসমূহ:
জাবালে রহমতআরাফাতের ময়দানে একটি ছোট পাহাড়। নবী (সা.) বিদায় হজ্জে এখানে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক বিদায় ভাষণ দিয়েছিলেন। "রহমতের পাহাড়" নামে পরিচিত।
গুহার বর্ণনাগুহাটি বেশ সংকীর্ণ — দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩.৭ মিটার, প্রস্থে ১.৬ মিটার। এতটুকু জায়গায় নবী (সা.) দিনের পর দিন ইবাদতে কাটাতেন।


মদিনা — "আলোকিত শহর"। নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর হিজরতের শহর ও চিরনিদ্রার স্থান। এখানকার প্রতিটি স্থান নবী (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের স্মৃতিতে সমৃদ্ধ।






ওমরাহ একটি নফল ইবাদত যা বছরের যেকোনো সময় করা যায়। সঠিকভাবে পালনের জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
মিকাত থেকে ইহরামের পোশাক পরে দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। নিয়্যাত করুন এবং তালবিয়া পাঠ শুরু করুন। পুরুষ: সেলাইবিহীন দুটি সাদা কাপড়। মহিলা: সাধারণ পোশাক, মুখ ও হাত খোলা।
মক্কায় পৌঁছানো পর্যন্ত উঁচু স্বরে তালবিয়া পাঠ করতে থাকুন। মহিলারা নিচু স্বরে পড়বেন। কা'বা দেখামাত্র তালবিয়া বন্ধ করুন।
ডান পা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করুন। দোয়া পড়ুন। হাজরে আসওয়াদে ইস্তিলাম করুন (চুম্বন বা ইশারা)। কা'বাকে বাঁয়ে রেখে ৭ বার তাওয়াফ করুন। তাওয়াফের সময় যেকোনো দোয়া ও জিকির করুন।
মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে দুই রাকাত পড়ুন। প্রথম রাকাতে সূরা কাফিরুন (قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ), দ্বিতীয়তে সূরা ইখলাস (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ) পড়া মুস্তাহাব।
কিবলামুখী হয়ে তিন নিঃশ্বাসে পেট ভরে পান করুন। মাথায় ও শরীরে পানি ঢালা যায়। যে নিয়্যাতে পান করবেন, তা পূর্ণ হবে ইনশাআল্লাহ।
সাফায় উঠে কিবলামুখী হয়ে তিনবার তাকবীর দিন এবং দোয়া পড়ুন। সাফা → মারওয়া = ১ বার। মোট ৭ বার (শেষ মারওয়ায়)। সবুজ আলোর মধ্যে পুরুষরা দ্রুত হাঁটবেন।
পুরুষরা মাথা মুণ্ডাবেন (হলক — উত্তম) বা সমানভাবে চুল ছাঁটবেন (তাকসীর)। মহিলারা আঙুলের এক গিরা পরিমাণ চুল কাটবেন। এরপর ইহরাম খুলুন — ওমরাহ সম্পন্ন! 🎉
ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ: সুগন্ধি, সেলাই, চুল-নখ কাটা, শিকার, দাম্পত্য সম্পর্ক, ঝগড়া-গালি। ভুল হলে দম দিতে হয়।
হজ্জ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। জীবনে একবার সামর্থ্যবান মুসলিমের উপর ফরজ। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বার্ষিক ধর্মীয় সমাবেশ।

মক্কা বা মিকাত থেকে হজ্জের ইহরাম বাঁধুন। তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনায় যান। মিনায় যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও পরের দিন ফজর — মোট ৫ ওয়াক্ত নামাজ কসর করে পড়ুন।
ফজরের পর মিনা থেকে আরাফাতে যান। জোহরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করুন (উকুফে আরাফাহ — ফরজ)। ইমামের সাথে জোহর-আসর একসাথে কসর করুন। বেশি বেশি দোয়া, জিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও ইস্তেগফার করুন। সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় যান।
মুজদালিফায় মাগরিব-ইশা একসাথে পড়ুন। খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান (ওয়াজিব)। ১০ জিলহজ জামারাতের জন্য ৭০টি নুড়ি পাথর সংগ্রহ করুন। ফজর নামাজ পড়ে মিনার দিকে রওনা দিন।
① বড় জামারাতে ৭টি পাথর মারুন (রমী) → ② কুরবানী করুন → ③ মাথা মুণ্ডান বা চুল ছাঁটুন (প্রাথমিক হালাল) → ④ মক্কায় গিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করুন (ফরজ) → ⑤ সায়ী করুন → ⑥ মিনায় ফিরুন। এই দিন সম্পূর্ণ হালাল হয়ে যান।
প্রতিদিন সূর্য ঢলার পর তিনটি জামারাতে পাথর মারুন: ছোট জামারাত (৭টি) → মাঝারি জামারাত (৭টি) → বড় জামারাত (৭টি)। প্রতিটি পাথরের সাথে "আল্লাহু আকবার" বলুন। ১২ই সূর্যাস্তের আগে মক্কায় ফিরলে ১৩ই পাথর লাগবে না।
মক্কা ত্যাগের আগে শেষ তাওয়াফ করুন (ওয়াজিব)। কা'বার দিকে তাকিয়ে চোখের পানিতে বিদায় নিন। হজ্জ মাবরুর হলে ক্ষমা এবং জান্নাতের পুরস্কার রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
আরবি পাঠ, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ। কপি বাটনে ক্লিক করে দু'আ কপি করুন। মনোযোগ ও একাগ্রতার সাথে পড়ুন।
তালবিয়া
মসজিদে প্রবেশের দোয়া
হজ্জ ও ওমরাহ প্যাকেজ বুক করুনMaa Tours & Travels — কানসাটের বিশ্বস্ত ট্রাভেল এজেন্সি। ভিসা, বিমান ও হোটেলসহ সম্পূর্ণ প্যাকেজ।
01713704028 অনলাইনে বুকিং